Tarique Rahman-Newsedge24-0001001

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করেনি। সফরটি নিয়ে জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রণালয় কার্যত নীরবই থেকেছে।

ভারতের টেলিগ্রাফ পত্রিকায় এমনটি বলা হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের সংবাদের শিরোনাম—‘ইন্ডিয়া মাম অন তারেক রহমান ভিজিট অ্যাজ বাংলাদেশ সেটস কন্ডিশনস ফর পিএম’স ইন্ডিয়া ট্রিপ’। এ ছাড়া ভারতীয় একাধিক মিডিয়া এ নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

টেলিগ্রাফ লিখেছে, তারেক রহমানের ভারত সফরের ক্ষেত্রে ঢাকা শর্ত জুড়ে দেয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে নয়াদিল্লি। তবে সফরটি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি ভারত।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিকতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভারত আগ্রহী।’ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য শর্ত দেয়ার পর এটাই নয়াদিল্লির প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।

দ্য স্টেটসম্যান লিখেছে, ঢাকার সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিকতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করে ভারত মঙ্গলবার জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে তারা আশাবাদী। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তারেক রহমান শিগগিরই দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারতে নাও আসতে পারেন। এমনকি ১২-১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ব্রিকস নেতাদের সম্মেলনেও তিনি অংশ নাও নিতে পারেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

ওদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধগুলো প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ করা হয়েছে—এমন প্রতিবেদনের বিষয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের চলমান জ্বালানি সহযোগিতা রয়েছে। অতিরিক্ত অনুরোধের বিষয়টি যতদূর বলা যায়, আমাদের নিজেদের চাহিদা, পরিশোধন সক্ষমতা এবং আমাদের পক্ষ থেকে জ্বালানির প্রাপ্যতার বিষয়গুলো বিবেচনা করে আমরা সেটি পরীক্ষা করছি।

আরও পড়ুন: ইমরান খানকে হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

হিন্দুস্তান টাইমস লিখেছে, তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত। মঙ্গলবার পর্যন্ত নয়াদিল্লির আমন্ত্রণ গ্রহণ করে তিনি ভারতে আসবেন কি না, সে বিষয়ে ঢাকার পক্ষ থেকেও কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘পারস্পরিকতা’ নীতির কথা ভারত এই প্রথম প্রকাশ্যে উল্লেখ করল।

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে আমাদের ধারাবাহিক অবস্থান হলো—এসব অনুরোধ আমাদের প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *